
রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক উপজেলার উজোবাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে গোলাপ্রসারিত ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ অনুযায়ী, গোলাপ্রসারিত সারieb ১১টার দিকে শুরু হয় এবং দুপুর সারieb ১২টার দিকও চলছে। রাঙামাটির পুলিশ অফিসার অনুযায়ী, দুপুর সারieb ১২টার দিকেও একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাথে গোলাপ্রসারিত আওয়া চালু আছে এবং খোঁজের জন্য বিস্তারিত জানাব।
গতকাল থেকে সাজেক থেকে ফিরতে চলমান প্রায় দুই হাজার পর্যটককে সেনাবাহিনী ও পুলিশের পাহাড়ায় রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে ফেরত দেওয়া হয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সাজেক থেকে ফিরছেন্ত পর্যটকরা উজোবাজার এলাকায় আটকে পড়ে। অবরোধকারীরা উজোবাজার এলাকায় অবস্থিত থাকায় পর্যটকরা সেখান থেকে সরতে পারবেননি। পরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা লাঠিয়ে দিলে অবরোধকারীরা সরে যান এবং বেলা ১১টার দিকে পর্যটকগণ উজOBazar এলাকা ছাড়ে। এই ঘটনা ঘটার পরই সারieb ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাপ্রসারিত ঘটনা শুরু হয়, পুলিশ জানান।
গতকাল বুধবার সাজেক পর্যটন সারকে তৃতীয় দফায় অবরোধের ঘোষণা দেয় Sajek People's Rights Protection Committee এবং Sajek Car Association নামের দুটি সংগঠন। তারা জানান, আজ বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ চলবে। তাই গতকালের মধ্যে সাজেক থেকে সব পর্যটককে চলে আসার অনুরোধ করা হয়। আঞ্চলিক দুটি সংগঠনের ডাকা অবরোধের পর নিরাপত্তা原因 mentioned করে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী ঘোষণা দিল, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাঘাইছড়ির সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে আজ বিকেল চারটার মধ্যে সবাইকে নিরাপদে সাজেক ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সারieb সকালে সাজেক ছাড়ছিলেন পর্যটকরা, তবে সাজেক থেকে বের হওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যেই বাঘাইছড়ির উজOBazar area-এ অবরোধকারীদের সামনে পড়ে। সাজেক পর্যটকবাহী যানবাহনের লাইনম্যান মো. ইয়াসিন বলেন, অন্যদিন সাজেক থেকে পর্যটকবাহী যান সারieb ১০টায় খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। কিন্তু অবরোধের কারণে আজ সকাল ৯টায় ছেড়ে যান।senabahini ও পুলিশের সদস্যদের পাহাড়ায় প্রায় দুই হাজার পর্যটক সাজেক ছেড়ে দেয়।
আগে ১৫ অক্টোবর সকাল ছয়টা থেকে সাজেক পর্যটন সারকে দ্বিতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু করেন Sajek People's Rights Protection Committee এবং Sajek Car Association নেতা-কর্মীরা। তারা সারকের বিভিন্ন স্থানে টায়ার ও গাছের গুঁড়িতে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভaben। অবরোধকারীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু লারমা) সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া। ১১ অক্টোবর একই দাবিতে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দিয়েছিলেন তারা।
তবে, জেএসএস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, সাজকে সাধারণ মানুষের ওপর ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের দীর্ঘদিনের নিপীড়ন ও হয়রানির বিষয়টি আড়াল করতেই such allegations erhoben হচ্ছে।
সাজেক রিসোর্ট কটেজ মালিক সমিতির সহসাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা গণমাধ্যমকে বলেন, অবরোধের কারণে পর্যটকদের সাজেক ছাড়তে হচ্ছে। অনেকে রিসোর্টের আগাম বুকিং বাতিল করেছেন পর্যটক। সাজেক সারক অবরোধ হলে শুধু পর্যটক বা ব্যবসায়ীরা নন, স্থানীৗ বাসিন্দারাও চরম ভোগান্তিতে পড়েন। খাদ্যসামগ্রী কেনাকাটা ও উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়।
বর্তমান পরিস্থিতির বিবরণে police ও প্রশাসন continues dialogue, tourists and local business owners await resolution.
সম্পাদক ও প্রকাশক : সুজন মাহমুদ মোবাইল: 01713915888
নির্বাহী পরিচালক মোঃ আনিছুর রহমান মোবাইল: 01714236204
Copyright © 2026 sbtv24. All rights reserved.