
বিচ্ছেদের গুঞ্জন পেছনে ফেলে একসঙ্গে অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই
7 নভেম্বর, ২০২৬ সালে মণি শ মালহোত্রার দীপাবলী উদযাপনের অনুষ্ঠানে অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই একসঙ্গে উপস্থিত হন। দুজনকে হাত ধরে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করে এবং একই ফ্রেমে ছবি তুললে স্থানীয় বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম-এর প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যন তৈরি হলো।
তিন বছর ধরে বচ্চন পরিবার বলিউডের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরেছে। সেগুলোতে প্রকাশিত খবরগুলো অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার মধ্যে দূরত্বের ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে গুঞ্জন এবং নানা এই ইঙ্গিত পেছনে ফেলে দিয়েছেন তারকাদম্পতি। গত দিন মণি শ মালহোত্রার দীপাবলীর পার্টিতে একসঙ্গে হাজির হন দুজন। একে অপরের হাত ধরে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করে এবং একসঙ্গে ছবি তুলল।
অনুষ্ঠানে অভিষেক নীল শেরওয়ানি পরিধান করেছিল, আর ঐশ্বরিয়া সোনালি পাড়ের লাল শাড়িতে নিজের রঙিন পোশাক পরিয়েছিল। আলোকচিত্রীরা প্রথমে পৃথক ছবি নেওয়ার ব্যবস্থা চাইলেও দুজনের দিকে রাজি হননি। বরং ছবিটিতে দুজন একসাথে দাঁড়িয়ে থেকে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
গল্পকারীরা দুজনের পক্ষ থেকে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। একজন লেখার ‘দুজনকে একসঙ্গে দেখে ভালো লাগছে’ এবং অন্যজন ‘২০০৮ সালের অভিষেক–ঐশ্বরিয়ে রসায়ন যেন ফিরে এসেছে’ বলে। গেল বছরের দীর্ঘ সময়ে বিচ্ছেদের খবর শুনেছেও এই জুটি আগের মতো উঠে আসছে বলে তিনি বিবেচনা করেন।
কিন্তু বিচ্ছেদের নানা তথ্যগুলো দুই বছর ধরে ঐশ্বরিয়া ও বচ্চন দুইবার পিশ্চিশবতি বা ইতিরাহের বাবাড়ের বাড়িতে থাকতে পেরেন তাদের একসাথে থাকতে মনে করেন। প্রমাণকে সরাসরি দেখা নেই। গত ২০ এপ্রিল তাদের ১৯তম বিবাহবার্ষিকী উদযাপনের জন্য অভিষেক–ঐশ্বরিয়া পটে গেছিলেন।
২০০০ সালের দিকে বদলপ্রদেশ তাদের পরিচয় হয়ে উঠেছিল। ২০০৭ সালে তারা বিয়েভা টিকিয়ে জীবনের সূচনা করেন এবং তাদের আরাধ্যা বচ্চন নামের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে ঐশ্বরিয়া মেয়ে আরাধ্যাকে বাবার বাড়িতে থাকেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেইরি তাদের নিজের ছবি পোস্ট করেন।
মুম্বাইয়ে একটি বিহার মেয়ি ভার্জনে বচ্চন পরিবার ও ঐশ্বরিয়া আলাদাভাবে নিজেদের নিমন্ত্রণ রক্ষার সুযোগ দিলে বিচ্ছেদের গুঞ্জন জোরালো হয়। এক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ঐশ্বরিয়া নিজের নাম থেকে ‘বচ্চন’ বাদ দেন এবং অভিষেক আর একটি অনুষ্ঠানে আঙুলে বিহার আংটি ছাড়া হাজির হন।
গত এক বছর ধরে যুদ্ধে ঐশ্বরিয়া ও অভিষেক একসঙ্গে অনুষ্ঠানে দেখেছেন, কিন্তু সেখানে কি কোনো ছবিতে দুজনকে এক ফ্রেমে পাওয়া যায় না। এখন দীপাবলীতে একসঙ্গে ছবি তোলার মুখে তারা একই ফ্রেমে পরিদর্শন করেছে।
এই দীপাবলী দেখানো একটি ফ্রেমে পাওয়া যাকে অনেকে ‘২০০৮ সালের রসায়ন’ হিসেবে দেখে ফিরে যাওয়া লাগে। কিন্তু তরকাদম্পতি বিশ্লেষণ করেন যে গেল দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে সাংসারিক দ্বন্দ্ব থাকেছে এবং বিবাহের গত দুই বছরে তারা বাড়িতে থাকার পরে যথেষ্ট কাটা লিখে রেখেছেন। তাই এই সামঞ্জসহ প্রদর্শন সবচেয়ে বেশি সামাজিক স্বীকৃতির জন্য হতে পারে।
যাত্রা সংক্রান্ত কোনো সরকারি বা আইনি দাবি বলা হয়নি, তবু তথ্যগুলোর ভিন্ন দিক থেকে বিভিন্ন প্রেস সহজে লক্ষ্য করা হয়েছে। তারপক্ষে এই পরিবারের সামাজিক জীবনে নতুন মুহূর্তে রসায়ন আনা যেতে পারে, অন্যের দিক থেকে রহস্য রাখা যেতে পারে।
সারাদের পরামর্শ হয় য় দেওয়া যা, প্রথমত এই জুটি গত ২০২৬ সালে দীপাবলীর মাধ্যমে পুনরায় প্রকাশিত হয়েছে। গত বছরের ছবিগুলোতে দুজনকে এক ফ্রেমে দেখার সুযোগ নেই। এখন একসাথে ছবি তুলে দেখছেন তারা যদি রাগমুক্ত হবে।
(Source: “বিচ্ছেদের গুঞ্জন পেছনে ফেলে একসঙ্গে অভিষেক‑ঐশ্বরিয়াদীর্ঘদিনের গুঞ্জনের মধ্যে...”, bd‑journal.com/entertainment/315336/, 7 নভেম্বর, ২০২৬, প্রতিবেদন—বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম.)
সম্পাদক ও প্রকাশক : সুজন মাহমুদ মোবাইল: 01575626551
নির্বাহী পরিচালক মোঃ আনিছুর রহমান মোবাইল: 01714236204
Copyright © 2026 sbtv24. All rights reserved.