
বাংলাদেশ থেকে রাশিয়া প্রসারিত করে ৩০ বাংলাদেশি নিহত
রাশিয়ার দেশে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশি নাগরিকের ক্ষতির বিষয়ে বাংলাদেশ জার্নাল এখন প্রকাশ করছে। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) কর্মকর্তাদের মতে, বাংলাদেশ থেকে পাঠানো ৩০ জনের ২০ জনের নিহত হয়েছে।
এসআরবির অধিনায়ক এসবিত জামালান হাজিমান রাশিয়ায় পাঠানো সক্রিয়কর্তা বলেছেন যে, বাংলাদেশে পৌঁছানোর পরেই তাদের স্বল্প সময় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং তারা যুদ্ধক্ষেত্রে মুখস্থ করার জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রথম দিনেই ড্রোন হামলার লোভে ১৭ জন নিহত হয়েছে এবং পরবর্তীতে আরও তিনজন মারা গেছে।
বুধবারকালো (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সংবাদ সম্মেলনে এসআরবির কর্মকর্তা দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। মূল পরিষেবা প্রদানকারী তিনটি প্রতিষ্ঠান—জাবালে নূর, আরএস ইন্টারন্যাশনাল এবং টি.এস গ্রুপ—কে তারা উল্লেখ করেছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে পৌঁছানো অপেক্ষামূলক ১ মিলিয়ন বাংলাদেশি টাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এসআরবির কর্মকর্তা রাশিয়ায় পাঠানো ৩০ বাংলাদেশিকে মিজানুর রহমান (৫৫ বছর) ও আবু তাহের লেন্টু (৫০ বছর)-একটি গ্রেপ্তার করে বলেছেন। দুটি ব্যক্তি কোনো বিশেষ প্রশিক্ষণ ছাড়াই সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে নির্দেশ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
এই দুটি নাগরিকের বাবার দায়ে মামলা গড়ে তোলা হয়েছে। মিজানুর রহমানের বাবা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার মানবপাচার ও অবস্থান ঘটিয়ে অভিবাসীর চোরাচালান বন্ধ করার আইন বিরোধী কার্যক্রম চালছেন।
এসআরবি কর্মকর্তা বলেছেন যে, বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর ২১ দিনের প্রশিক্ষণ পরিষheatে তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। রাশিয়ার সেনাবাহিনীর নির্দেশে তাদের সহিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
এই ৩০ বাংলাদেশিকের মধ্যে ২০জন যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত হয়েছেন এবং দুজনকে শিথিল অবস্থায় বা মুহূর্তে দেশে ফিরে নিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো সম্পর্কিত তথ্য থাকলে সম্পূর্ণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
এসআরবি কর্মকর্তা রাজন সামঞ্জস্যের নামে বলেছেন যে, তিনি তার নাগরিকের উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তারা যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন হামলার প্রভাবে কোমরের হাড় ভেঙে গেছেন।
এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জার্নালের লেখক বলেছেন যে, যুদ্ধে যাওয়ার আগেই তাদের কোনো পূর্ববর্তী শারীরিক প্রস্তুতি ছিল না।
মন্তব্য করুন