
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) মেয়াদের সমাপ্তি ২৬ অক্টোবরের পর কোনো সংসদ কার্যক্রমকে অনুমোদিত না করার সিদ্ধান্তটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্বারা নেওয়া হয়েছে, যা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
রাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে “ননসেন্স ও গাম্বাট” বলে মন্তব্য করেন, যা একটি অভিযোগ হিসেবে বিবেচিত করা যাবে। তিনি বলেছেন, “কত বড় ননসেন্সগুলো, গাম্বাট বসে আছে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে একটাবার চিন্তা করেন।”
তিনি আরও জানিয়েছেন যে রাকসুর সর্বশেষ অধিবেশন ৩০ সেপ্টেম্বর, তারপর বাজেটের অর্থ উত্তোলন করতে ২১ অক্টোবরের সময় সীমা দেওয়া হয়েছে। ১১টি ছেলেদের হলে ও মেয়েদের কেন্দ্রীয় জিমনেসিয়ামের সরঞ্জাম অর্ডার করতে সময় লাগে, ফলে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সরঞ্জাম সরবরাহের কাজ চলতে চলছে। জিএস দিয়ে এই কাজগুলো মেয়াদ শেষ হলে কি শেষ হবে কে সে প্রশ্ন করেন, যা এখনো নিশ্চিত নয়।
রাকসুর সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সালমান সাব্বিরও প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিয়ে प्रतিক্রিয়া করেন। তিনি বলেছেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাকসুর সভাপতি। তাঁর অনুমোদন নিয়েই রাকসুর তহবিল থেকে অর্থ উত্তোলন করে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ উদ্যোগের প্রক্রিয়া কয়েক মাস আগে থেকেই চলছিল। বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করতে সময় লাগে, সরঞ্জাম সরবরাহে বিলম্ব হয়েছে।”
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে রাকসু দ্বারা ১১টি আবাসিক হলে ও মেয়েদের কেন্দ্রীয় জিমনেসিয়ামের জন্য ব্যায়ামের সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়, দুটি বক্সিং ব্যাগও প্রদান করা হয়েছে, এবং ছেলেদের কেন্দ্রীয় জিমনেসিয়াম সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন