
শেরপুরে পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান চালু, একজনকে সাত দিনের কারাদণ্ড
শেরপুর সদর উপজেলার ধলা ও কামারিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পাখি শিকার বন্ধে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ division, শেরপুর, শেরপুর বার্ড ক্লাব এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন এর সহযোগী উদ্যোগে বিশেষ অভিযান চালু করা হয়। অভিযান চলিত থাকার পর ৮ টি হালা (শিকারির সরঞ্জাম), ১৪ টি ফাঁদ, ১২ টি বক, ৬ টি বেগুনি কালেম এবং ১ পাখি শিকারী উদ্ধার করা হয়।
অভিযান চলিত থাকার পর বিকালে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের নিরীক্ষণে উদ্ধারিত বক ও বেগুনি কালেমগুলো প্রকৃতিতে অবমুক্ত করলেন। এই সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোর ৬টা থেকে প্রায় চার ঘন্টা ধরে এই অভিযান চালু হয়। এই সময় কামারিয়া ইউনিয়নের আলীনাপাড়া গ্রামের পাখি শিকারী নেজামুলকে (৪৮) গ্রাম থেকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও একশ টাকা অর্থ দন্ডে দंडিত করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত নেজামুলকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের সভার司会 করেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান।
পাখির সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে এলাকাবাসীর মধ্যে লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ করা হয়। অভিযান পরিচালনা সময় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ division, শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, শেরপুর বার্ড_clubের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন এর নির্বাহী পরিচালক ও জ্যেষ্ট সাংবাদিক মো. মুগনিউর রহমান মনি, স্বেচ্ছাসেবকসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় পাখি আমাদের অন্যতম অনুসঙ্গ। তাই পরিযায়ী ও দেশীয় পাখি রক্ষায় আমাদের সবাইকে আরো সচেতন হতে হবে। পাখি শিকার বন্ধে এ ধরণের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে।
মন্তব্য করুন