
দুঢ়া দিনের সার্চার শেষ: দুবলার চরে নিখোঁজ ময়মনসিংহের পর্যটক রিজা আহমেদের শরীর বন বিভাগ ও কোস্টগার্ডের সংযুক্ত অভিযানে বের করা হয়েছে
সুন্দরবনের দুবলার চরে দুটি দিনের বিরতিহীন সার্চারের পর শনিবার রাতে ৯টা ৪৫ মিনিটে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ড যৌথভাবে নিহত পর্যটকের শরীর বের করা হয়। রিজা আহমেদ, যিনি ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কাঠালি পশ্চিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন, সেখানে নিখোঁজ হওয়ার পর প্রথমে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে থেকে তার শরীর পাওয়া গেল, যা বন বিভাগের মতে স্রোতে ঢালা হচ্ছে। স্থানীয় মৎস্য আহরণকারী জেলার আব্দুল মান্নান টানার মাথা খালের নদীর চরে শরীরটি ভাসতে দেখে বন বিভাগকে অবহিত করে, ফলে সার্চার শুরু করা হয়।
পূর্ব সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ফরেস্ট স্টেশন থেকে ৫ নভেম্বর মিজানুর রহমান পরিচালিত “ইকো ট্যুরিজম‑২” নামে পরিচিত নৌযানে নরসিংদী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা‑গাজীপুরের ১৯ জন পর্যটক সুন্দরবন ভ্রমণে গেল। ৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা পয়রায় দুবলার চরে পৌঁছানোর আগে নৌযানটি জেগে ওঠা চরে আটকে যায়, ও পরিষেবা না করার পরই রিজা আহমেদ নিখোঁজ হয়ে গেল।
বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শাহিনুর ইসলাম ने সম্মানিত করে জানाया যে, দুটি দিনের প্রচেষ্টার পর নিখোঁজ পর্যটকের শরীর বের করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে শরীরটি মরদেহের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পরিবার, সহযাত্রী ও অন্যানুসারে নিহত ব্যক্তির মৃত্যুর পর শোকের ছায়া জোড়ে গেল। সংশ্লিষ্ট সংস্থানরা সুন্দরবনে ভ্রমণের সময় সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা এবং সাগরপাড়া স্রোত সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। ভবিষ্যতে কোস্টগার্ড ও বন বিভাগের সংযুক্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন