
নাটোরের গুরুদাসপুরে ১২৩ বছর বয়সী আব্বাস প্রামাণিকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি চশমা ছাড়াই কোরআন পড়ার জন্য পরিচিত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই মেয়ে, ছয় ছেলেসন্তান এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আব্বাস প্রামাণিকের পরিবার এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা নিশ্চিত করেছেন যে বৃদ্ধের মৃত্যু রবিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে ঘটে। তার নাতি রিপন হোসেন এবং স্থানীয় সাংবাদিক জুয়েল হোসেন টিপু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আব্বাস প্রামাণিক নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের যোগেন্দ্রনগর গ্রামের মৃত সদর উদ্দিনের ছেলে ছিলেন। তিনি কর্মজীবনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন।
রিপন হোসেন জানান, তার দাদা শারীরিকভাবে সুস্থ ছিলেন। রবিবার হঠাৎ তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। এ সময় তার কথাবার্তা পরিবর্তিত হতে থাকে এবং একপর্যায় তিনি কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেন। খুবজিপুর প্রবীণ সেবাকেন্দ্রকে বিষয়টি জানানো হলে চিকিৎসকরা তার বাড়িতে এসে চিকিৎসা দিয়েছিলেন। তবে সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
প্রবীণ সেবাকেন্দ্রের খুবজিপুর ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষক আবু সাইদ সরকার বলেন, আব্বাস প্রামাণিক দীর্ঘদিন ধরে তাদের সেবাকেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছিলেন। অসুস্থতার খবর পেয়ে তার বাড়িতে চিকিৎসক পাঠানো হয়েছিল এবং কেন্দ্রের মাধ্যমে যথাযথ চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছিল। তিনি আজ সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে মারা গেছেন।
স্থানীয় সাংবাদিক জুয়েল হোসেন টিপু জানান, মরহুম আব্বাস প্রামাণিকের জানাযার নামাজ সকাল ১০টায় দেগারাপ স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ বলেন, আব্বাস প্রামাণিক গুরুদাসপুর উপজেলার একজন প্রভাবশালী প্রবীণ ব্যক্তি ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন সবসময় তার শারীরিক খোঁজখবর নিয়েছে। তার মৃত্যুর খবর শুনে অত্যন্ত কষ্ট লেগেছে।
মন্তব্য করুন