
ধরাবাহী বিচারক রিয়াদ হাসানের মेट্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আয়াশ (২৭) ও রিমির (২৬) জামিন সুনানির दौरान হঠাৎ হট্টগোল-মারামারি ঘটিত। আদালতে পড়া বিচারক এবং আইনজীবীরা একেotherের ওপর টিকিয়ে গেলে কেউ কিল-ঘুষি শুরু করে। এই ঘটনায় আইনজীবী আল মাহসিন তৌহিদের শার্ট ফেঁকে ফেলা হয় এবং পরিস্থিতি শান্ত হলে বিচারক আদালত ছেড়ে নেমে যান। কিছুক্ষণ পর আদালত আবার ওঠে এবং আসামিদের জামিন মেনে যাচ্ছে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ।
**ঘটনার পটভূমি**
গত ১০ অক্টোবর দুপুরে সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিটিতে কালি দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় অংশগ্রহণ করত আয়াশ সহ একদল তরুণ। পুলিশের বাধা ম protease ফেলে আয়াসহ চারজনকে আটক করে থানা নিয়ে যাওয়া হয়। এক নারীও রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি মুছে পড়ার জন্য কালি নিয়ে আসতিল, কিন্তু পুলিশ বাড়িয়ে দেয়। আত্থিতত accomplished আয়াস নেতৃত্বে স্লোগানও দেয়। এই ঘটনাটি ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ এর সাংঘটকতায় জড়িত।
**আদালতী প্রক্রিয়া**
গত ১১ অক্টোবর আদালত রিমি ও সুজনের জন্য দুই দিন, এবং আয়াশ ও সাকিবুল হাসানের জন্য তিন দিনের রিমান্ড দিয়ে। জামিন শেষে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালেbidirectional বিচারক আদালতে আসামিদের পক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন সুমন এবং রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী উপস্থিত হয়। আইনজীবী মনির হোসেন জামিনের প্রার্থনা করেন, আর প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী আয়াশের পাকিস্তান ও জিন্নাহের কবর জিয়ারত সম্পর্কে বক্তব্য দিয়ে মামলা রচিত করার অভিযোগ লাগায়।
আইনজীবী ওমর ফারুক বলেন, আয়াসের বক্তব্যে পাকিস্তান ও জিন্নাহকে নিয়ে দুর্বহিষ্ণতা আছে, এবং তারা বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়। আইনজীবী আল মাহসিন তৌহিদের বিপক্ষে তারা পিপির বক্তব্যে আপত্তি প্রকাশ করেন। আইনজীবী মনির হোসেন সুমন রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি কালি দেওয়ার ঘটনা নিয়ে মামলা বলেন, যেখানে trois ধারার অভিযোগ।
**আদালতের’intérieur**
জামিন চেয়ে আইনজীবী মনির হোসেন সুমন শুনানি করেন। তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথকে কেউ ভালবাসেও, অনেকে বিদ্বেষও করে। তারা আসমান থেকে আসেননি, কোনো দেবদূতও না। আইনজীবী মনে করেন, আয়াস অসুস্থ এবং জামিনের অধিকারী। ওমর ফারুক ফারুকী আপনার অভিযোগে আভায় প্রকাশ করেন, যা আইনজীবী আল মাহসিন তৌহিদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
আদালতের পরিস্থিতি তীব্র হলে, prosecution পক্ষের আইনজীবীরা আসামিপক্ষের আইনজীবী আল মাহসিন তৌহিদের বিরুদ্ধে হট্টগোল শুরু করেন। পরিস্থিতি শান্ত হলে বিচারক রিয়াদ হাসান আদালত ছেড়ে নেমে। পরিস্থিতি আবার নিরাপদ হলে বিচারক আবার আদালত ওঠে এবং আসামিদের জামিন মেনে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
**আবেদন ও তদন্ত**
তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল গাফফার হিমেল জামিন আবেদন করেন, যেখানে বলা হয়, আসামি রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন এবং তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে রাখা প্রয়োজন। সেয়ে নেওয়ার সময় লিফট ব্যবহার না করে, কঠোর নিরাপত্তাの中で সিঁড়ি দিয়ে সিএমএম আদালতের ৯ তলায় নেওয়া হয়।
**আউটকম**
পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর ৩ টা ৪২ মিনিটের দিকে আবার বিচারক রিয়াদ হাসান আদালতে ওঠে। কিছুক্ষণ পর আসামিদের জামিন মেনে যাচ্ছে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ। কারাগারে নেওয়ার পথে আয়াস বলেন, “আমি কি মার্ডার করে আসি। আমাকে এভাবে নেওয়া হচ্ছে।”
সহজ remarkable, বিচারকের নির্দেশ অনুযায়ী আয়াশ ও রিমি目前正 দাঁড়িয়ে আছে কারাগারে।
মন্তব্য করুন