
চিরিরবন্দর উপজেলার অমরপুর ইউনিয়নে মোস্তফাপুর বালুপাড়া গ্রামে সোমবার সন্ধ্যা ক límites ৭টার দিকে পুলিশ এক মা ও তার দুটি শিশুসন্তানের মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহগুলো উদ্ধার গ্রহণের স্থান ছিলো মায়ের নিজ ঘর।
মরন者দের পরিচয় স্বর্ণা আক্তার (২৪) এবং তাদের দুটি সন্তান সাফায়েত হোসেন (৪) ও রাইফা মনি (১) হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। স্বর্ণা আক্তারের স্বামী শাকিল হোসেন পেশায় ইজিবাইক চালক; স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে সে কিছুদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঘনঘনCOLLISION হত। সোমবার সকালেও ঝগড়ার পরে শাকিল বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।
পुलিশের মতে, সন্ধ্যায় ঘরের দরজা বন্ধ পाकर শাসুরি ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তিনজনের নিথর দেহ দেখে পেলেন। ঘটনাস্থলের দেয়ালে একটি লেখা দেখানো গেছে, যা reportedly “আজ থেকে এই গল্প শেষ… আমার সন্তানদের পুলিশের কাছে দিয়েন না। আমি अभাগী মা…” এর মতো wording ধারণ করত। তবে এই লেখার প্রामাণিকতা ও লেখকের পরিচয় এখনো পুলিশ দ্বারা নিশ্চিত করা হয়নি।
চিরিরবন্দর থানার ওসি মাহমুদুন নবী বলেছেন, খবর পেলে পুলিশ দলে শব্দের উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনার সত্য कारण ascertain করার জন্য স্বামী শাকিল হোসেনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।それゆえ, মরত্যুর প্রকৃত কারণ — যে কি আত্মহত্যা, হত্যা অথবা অন্য কোনো কারণ — এখনো পুলিশ তদ্বíchার করছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা চলছে।
প্রতিষ্ঠিত सूत्रের মতে, পরিবারের অশান্তি ও মাদকাসক্তি ঘটনার পটভূমির 중요한 ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কিন্তু এতে পुष্টি এখনো না। পুলিশ জांचের পরবর্তী উন্নয়নের প্রতिक्षা করছে।
মন্তব্য করুন