
ডিবিসি কার্যালয় থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়ার খবর
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা এবং টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে মহাখালীর ডিবিসি কার্যালয় থেকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সে সময় ডিবিসির প্রধান অপরাধ প্রতিবেদক রাজীব ঘোষকেও পুলিশ নিয়ে যাওয়া হয়।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে। তবে কী কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে সে ব্যাপারে তিনি কিছু ব্যাখ্যা করেননি। ফলে তার কারণ উদ্ঘাটিত হয়নি। তিনি আরও বলেন যে, সেখানে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে সে কারণে তাকে জিজ্ঞাসা করার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে।
ইকবাল হোসেন চৌধুরী ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্বেও আছেন। ফলে তার ওপর পুলিশের নজরদারি বা জিজ্ঞাসাবাদ সংক্রান্ত খবরে জল্পনা বাড়ছে।
ঘটনার পর বিকেলে ডিবিসির কার্যালয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর মুক্তাদীর অনিক সাংবাদিকদের বলেন যে, ডিবিসি অফিস থেকে যখন ইকবাল সোবহান চৌধুরী বের হচ্ছিলেন তখন তাকে রাস্তা থেকে নিয়ে গেছে ডিবি। কেন তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সে বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। তবে তারা ধারণা করতে পারেন যে, জুলাই রেভ্যুলেশনের সময়কার যে মামলাগুলো ছিল সেই কেন্দ্রীয় বিষয়ের সঙ্গে কিছু সম্পর্ক থাকতে পারে।
রাজীব ঘোষকে নিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে অনিক বলেন, ডিবিসির আরেকজন সহকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ না করে শুধু ডিবি বলেছিল “আপনি একটু চলেন, চা খাবো।” রাজীব ঘোষকেও রাস্তা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন যে, যেহেতু রাজীব ঘোষ ক্রাইম বিট করেন এবং ডিবিসির ক্রাইম চিফ হওয়ার কারণে পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক আছে, সেই সুবাদে তাকে কথা বলার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
অনিক দাবি করেন যে, রাজীব ঘোষকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়নি বরং তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তিনি বলেন, ইকবাল সোবহান চৌধুরীর ক্ষেত্রে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা যায়। কিন্তু রাজীব ঘোষের ক্ষেত্রে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়।
মন্তব্য করুন