
ঢাকা শহরে দিন দিন বসবাসের কঠিনতা বাড়ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগরবাস্তু, যানবাহনের চাপ এবং সবুজ এলাকার কাম shortage এই সমস্যাগুলোকে নিরাপদ করে। এই背景ে, সীমিত জায়গায় সবুজায়ন সম্ভব হতে পারে।
আদাবরের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাসহ সহায় ও হেলথব্রিজ ফাউন্ডেশন অব কানাডা ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে ১৪ অক্টোবর ২০২৬ সালে স্বল্প পরিসরে সবুজায়ন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো আদাবর এলাকাকে সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধবভাবে গড়ে তোলা।
কর্মসূচিতে মিশন পল্লী স্কুল এন্ড টেকনিক্যাল কলেজের ব্রাঞ্চ ইনচার্জ মো. আব্দুল কাদির, মিশন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের ব্রাঞ্চ ইনচার্জ মো. কাওসার আহমেদ, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী, প্রকল্প কর্মকর্তা প্রমা সাহা এবং মো. ইমরান মিয়া অংশগ্রহণ কর্তव्यPerformed। আয়োজনে ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দাও এবং মিশন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তাদের মতে, রাস্তার পাশে অব্যবহৃত ছোট জায়গা, ফুটপাতের প্রান্ত, ভবনের সামনের খালি অংশ, আবাসিক এলাকার উন্মুক্ত কর্ণার, স্কুল ও প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ বা অন্যান্য অব্যবহৃত স্থানে স্থানীয় ও উপযোগী গাছপালা ও লতা লাগানো যেতে পারে। এছোট ছোট সবুজ স্থান নগরের সৌন্দর্য বাড়াবে, তাপমাত্রা কমাবে, ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে রেখে এবং পথচারীদের জন্য হাটাবান্ধব পরিবেশ বানাবে।
বক্তারা আরও বলেন, স্বল্প পরিসরের সবুজায়ন উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। একটি ছোট সবুজ স্থান তৈরি করার পাশাপাশি এর পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হলে উদ্যোগটি দীর্ঘস্থায়ী হবে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সবুজ পরিবেশ তৈরিতে স্কুলের আশপাশ এবং আবাসিক এলাকার ছোট জায়গাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে। সমন্বিত উদ্যোগ ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে আদাবর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি সবুজ, স্বাস্থ্যকর, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য কমিউনিটি হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
পরিবেশ রক্ষায় তরুণ প্রজন্ম ও স্থানীয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ ও সক্রিয় উদ্যোগ আদাবর এলাকার টেকসই উন্নয়ন ও বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে একটি চমৎকার ও দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।
মন্তব্য করুন