
চীন ও উত্তর কোরিয়া之间 নতুন যুগের সড়ক সংযোগ স্থাপন হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ ১২ বছর পরীক্ষা ও টানাপের অবসান ঘড়ি টকতকি হয়ে অবশেষে ‘নিউ ইয়ালু রিভার ব্রিজ’টির উদ्घাটন করা হয়েছে। এই সেতুটি চীনের সীমান্ত শহর দানদং ও উত্তর কোরিয়ার সিনুইজুকে যুক্ত করে, যা দুটির বাণিজ্যিক ও মানুষের গতিবিধির জন্য নতুন পথ খুলবে।
তিনি দীর্ঘ ১৯৩৭ থেকে ১৯৪৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে জাপানিcolonial আমলে নির্মিত পুরোনো ‘চীন-উত্তর কোরিয়া মৈত্রী সেতু’র বদলে কাজ করবে এই নতুন অবকাঠামো। ৩ কিলোমিটার (১ দশমিক ৯ মাইল) দীর্ঘ এই সড়ক সেতুটির উদ्घাটন বৃহস্পতিবার হয়েছে। আখ্যানবেদন অনুযায়ী, ২০১৪ সালেও সেতুটি চালুর কথা ছিল, কিন্তু পিম্পিংয়ের পরমাণবিক কৌশলঘিরে বেইজিং ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্কের অপ development হওয়ায় প্রকল্পটি অবশেষে থামে গেল। বুধবার চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বক্তা মাও নিং সেতুটি দুটি দেশের মধ্যে ‘সংযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছে।
মao ning অনুযায়ী, এই রুট দুটি দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে। ২০২৫ সালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় ২৭০ কোটি ডলার পৌঁছায়, যা পূর্বের স্তরের চেয়ে বড়োcovery ইঙ্গিত দেয়। তবে এই বাণিজ্যের সিংহভাগ উত্তর কোরিয়ায় চীনের রপ্তানি। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা উত্তরের বাণিজgic অংশীদার بودنazarite পক্ষে বেঁজিং একটি অর্থনৈতিক লাইফলাইন। অধ্যাপক কাং জুন-ইয়ং অনুযায়ী, সীমান্তে বাণিজ্যে খুব দ্রুত বড় কোনো Ullmuf shellের সম্ভাবনা দেখছেন না, annak কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকায়।
দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কে আলোচনা करते हुए উল্লেখ করা হয়, সে সম্পর্কটিকে ‘দাঁত ও ঠোঁটের মত নিবিড় সম্পর্ক’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। ২০১০-এর দশকে উত্তরের পারমাণবিক পরীক্ষারjera বেইজিংের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে兩者ের মধ্যে শীতলতা নেমে আসে। পরবর্তী সময়ে পরীক্ষার প্রশ্নে চীন অনেকটাই নমনীয় অবস্থান নেওয়ায় বরফ গলতে শুরু করল। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক এডওয়ার্ড হাওয়ের বিবিসিকে বলেন, “মাত্র এক দশক আগেও পিম্পিংকে পরমাণবিক অস্ত্রমুক্ত করার দাবি তুলে বেইজিং যেভাবে কড়া সমালোচনা করত, এখন তারা বিষয়ে কারytt নীরব।” মহামারীর কারণে দীর্ঘ ছয় বছর বন্ধ থাকার পর গত মার্চে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যাত্রীবাহী ট্রেন ও বেইজিং-পিম্পিং ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হয়েছে।
এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের শুরু পর থেকে মস্কো ও বেইজিংের মধ্যে যে কৌশলগত ও সামরিক বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে, তার ওপর চীনা নজর রেখে আছ। গত মাসেই উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে প্রথম সড়ক সেতুটি চালু হয়, যা দিয়ে প্রতিদিন ৩০০ যানবাহন ও দুই হাজার মানুষ পরায় হতে পারছে। সিউটির এহওয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক লেইফ-হেরিক ইজলি বলেন, “ইয়ালু নদীর সেতুটি চালু হওয়া দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতিরই প্রমাণ। এতে স্পষ্ট হল, জুনে শি জিনপিংয়ের পিম্পিং সফর স্রেফ লোক দেখানো ছিল না।” তবু এই একটি সেতু চালুর পেছনে এক যুগের বিলম্বই বলে দেয়, উত্তরের সামলানোর জন্য বেইজিং কতটা জটিল।
বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম
মন্তব্য করুন