
ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সিয়ামের ৪ বছরের জেল দেওয়া হয়েছে
আদালতের এক বিশেষ জজ বিঃএম তারিকুল বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেছে যে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় সিয়ামকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সজা ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আদালত তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া করেছে।
বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলামের কথা জানান উল্লেখ করছেন যে রায় ঘোষণার আগেই সিয়ামকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। জজ বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হওয়ার পর সিয়ামকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। আপিলের শর্তে সিয়ামের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম আদালতের দ্বারা অপজরণের দাবি করছেন।
ঢাকার বিশেষজ্ঞরা বল रहেন যে এই মামলার তদন্তে সিয়ামকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত প্রায় ৩.৭ লাখ হাজার টাকা অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগ হয়েছিল। তদন্তের ফলে ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত মনে করছে সিয়ামের বয়স এবং সম্পদের পরিমাণ বিবেচনা করে তাকে চার বছরের সাজার সিদ্ধান্ত নেবে।
সিয়ামের প্রায় চার বছরের প্রশস্তি-কারাদণ্ডের মধ্যে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড সেটে দেওয়া হয়েছে। বেঞ্চ সহকারী জাহান রুমী এই তথ্যগুলো প্রকাশ করতে পারছেন। তিনি বলেছেন সিয়ামকে আদালতে হাজিরার আগেই হাজির করা হয়েছিল এবং কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। এরপর সিয়ামের আদালত এই আপিলের শর্তে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান, তবে আদালত এই চাপিকটি মঞ্জর করেননি।
সিয়াম আগে থেকেই সংগঠনের প্রতিবদ্ধতা জানানোর কারণে প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নপত্র ফাঁসে থাকার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সিয়াম একসময় ঢাকা মহানগর উত্তর छাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন।
মামলার প্রাথমিক চাপিকটি ৫ জানুয়ারি মাসে দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন করেছেন। এই মামলায় ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ হয়েছিল। একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর সিয়ামকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। তদন্তে রাষ্ট্রের অনুকূলে ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার সম্পদ রাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রাপ্ত হওয়ার অভিযোগ থাকে।
আদালত এই মামলার বিষয়টি মূল্যায়নের জন্য কমিশনটির সাথে আলোচনা করবে এবং সিদ্ধান্ত নেবে। সিয়াম বলেছেন যে সম্পর্কে কোনো বক্তব্য নেই এবং কমিশনটি বিষয়টি বিবেচনা করবে।
বাংলাদেশ জার্নাল বা এনএম প্রিন্ট করেছে এই খবরটি প্রকাশ করেছে।
মন্তব্য করুন