
শরীয়তপুরের বাসিন্দা মারুফ বেপারিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, তার পরিবারের ও স্থানীয় স্বজনদের মতে। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতের ১০টার দিকে কেপটাউন অঞ্চলে অবস্থিত এক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গুলি করে হত্যা ঘটনাটা হয়, যা পরবর্তীদিন (২২ অক্টোবর) সকালে পরিবারের জানানো হয়।
মারুফ বেপারি ডামুড্যা উপজেলার সিড্যা ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সিড্যা এলাকার বাসিন্দা। তিনি ১৪ বছরের বেশি সময় ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায়ে বাসার্জীবন করছিলেন এবং তার জিনিসে ব্যবসা করত। স্থানীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তাকে প্রতি মাসে ৫০০ র্যান্ড দাবি করার কথা বলতাম, যা চাঁদার টাকা নিয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে গুলি করে হত্যা করার আশা প্রকাশ করতাম। পরিবারের মতে, এই দাবির প্রত্যাখ্যানের কারণে তিনি হত্যা করা হয়নি।
পরিবারকে জানানো হয়েছে যে তার মৃত্যুর পর মরদেহ বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকায়ে একটি হাসপাতালে রায়ছে। স্বজনরা সরকারকে দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করার অনুরোধ করছেন।
মারুফের ছেলে মোহাম্মদ সিফাত বলেছেন, “আমার বাবা গত তিন মাসের মধ্যে এক মাস দোকান চালালেন, আরেক মাস বন্ধ ছিল। তাই তিনি কেবল এক মাসের চাঁদা দিতে পারতাম, যা গোষ্ঠীর দাবির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। একদিন গোষ্ঠীর সদস্যরা তার দিকে গুলি করে তাকে হত্যা করে।”
পরিবার ও স্থানীয় মানুষের মতে, মারুফের হত্যার পেছনে “সন্ত্রাসী গুলি” নামটি দাঁড়াচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট সরকারি পরিষদের বা পুলিশি প্রতিক্রিয়ারি এতদিন প্রকাশিত নেই, ফলে ঘটনার সত্যিকতাটা এখনও শুধুমাত্র অভিযোগের স্তরে মনে হয়।
সিড্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রুবেল আকন বলেছেন, “মারুফ বেপারি আমার প্রতিবেশী; তিনি গত রাত সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করা হয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় আমাদের নাগরিকরা যেকোনো সময় সন্ত্রাসী হুমকির মুখে আছেন, যা আমাদের নিরাপত্তার জন্য জরুরি।”
সর্বোপরি, বাংলাদেশি বাংলাদেশে রিমিটেন্স পাঠাতে ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের দায়িত্ব, আর নিরাপদে ব্যবসা করতে ভালোভাবে সহায়তা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন