২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

টঙ্গীতে মাদ্রাসাছাত্রীর জবানবন্দি, কারাগারে উপাধ্যক্ষ

টঙ্গী, গাজীপুর: গাজীপুরের টঙ্গী উপজেলায় একটি মাদ্রাসায় যৌন নিপীড়নের গंभीর অভিযোগের পেছনে শিক্ষককে policiya arrested এবং আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। গাজীপুর পুলিশ অনুযায়ী, ঘটনার মামলায় সাত বছর বয়সি একটি মাদ্রাসা ছাত্রীকে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। একই ঘটনায় মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মো. মোসলেম উদ্দিন (৩০)কেও আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি আরিফ হোসেন জানান, শিশুটি বৃহস্পতিবার গাজীপুর মহানগর হাকিম আদালতে বিচারকের কাছে প্রস্তুত করা হয়েছিল। একই দিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগে ছাত্রীর বাবা মামলা দিতে আদালতে পাঠালে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

দুটি পৃথক মামলা টঙ্গী পশ্চিম_thanaয়registered হয়েছে—একটি যৌন নিপীড়নের এবং একটি শিক্ষককে মারধর ও মাদ্রাসা ভাঙচুরের ঘটনায়। প্রাথমিক তদন্তে দুটি ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। চূড়ান্ত তদন্ত শেষে বিচারদftar দেওয়া হবে।

পুলিশের প্রাথমিক জানकारी অনুযায়ী, ক্বরীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ভেতরে প্রথম শ্রেণির সেই ছাত্রীকে উপাধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিন যৌন নিপীড়ন করেন। ঘটনা গোপন রাখার জন্য তিনি ছাত্রীকে মারধরের হুমকি দেয়েছিলেন। এই হুমকিতে পড়ে ছাত্রী তিন দিন মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ করে দিলে। পরে পরিবারজনের জ্ঞান পেয়ে khi সে শারীরিক হেনস্থার কথা মা-বাবায় কহা, স্থানীড় লোকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়।

বুধবার দুপুরে ছাত্রীর বাবা সরাসরি মাদ্রাসা গিয়ে উপাধ্যক্ষ থেকে জবাব চান। তখন মাদ্রাসা প্রাঙণে আরও মানুষ জড়ো হয়ে গেল। একপর্যায়ে ছাত্রীর বাবা শিক্ষকে মুষ্টিঘাত করেন। পরের লোকজনও teacherকে মারধর দিলে। কিছু শিক্ষক তাঁকে রক্ষার চেষ্টা করেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিক্ষকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

ঘটনায় একটি ভিডিও সামাজিক মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপর সারা দেশে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়।

পরিস্থিতি আরও জটিল হলে, যৌন নিপীড়নের মামলায় ছাত্রী বাবা এবং শিক্ষকে আঘাত ও ভাঙচুরের মামলা করেন। আর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পৃথক মামলা করেন, যেখানে অভিযোগটিয়ে ১৫ জনের দল মাদ্রাসায় প্রবেশ করে হামলা, ভাঙচুর, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মারধর, শ্লীলতাহানি এবং প্রায় ১৭ লাখ টাকা লুটের ঘটনা ঘটান। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ বারীজুল আলমগীর হোসেন এই দাবি করেছেন যে, একটি অভিভাবকের নেতৃত্বে ১৫ জনের একটি দল মাদ্রাসায় প্রবেশ করে হামলা, ভাঙচুর, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মারধর, শ্লীলতাহানি এবং প্রায় ১৭ লাখ টাকা লুট করেছে।

তবে শুক্রবার রাতে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রীর বাবা এই অভিযোগsকে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘মব’ পরিস্থিতি তৈরি করতে নােয়, বরং মেয়ের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চাইতেই তিনি মাদ্রাসায় গিয়েছিলেন। তিনি টাকা লুটের অভিযোগও অস্বীকার করে, শুধু সুষ্ঠু তদন্ত এবং মেয়ের ঘটনার বিচার দাবি করেন।

পুলিশ জানান, প্রাথমিক তদন্তে দুটি ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। চূড়ান্ত তদন্ত শেষে বিচারদftar দেওয়া হবে। ongoing investigation underway.

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, অপেক্ষা নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের

১

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিপীড়ন ‘দুঃখজনক ও লজ্জাজনক’: ধর্মমন্ত্রী

২

টঙ্গীতে মাদ্রাসাছাত্রীর জবানবন্দি, কারাগারে উপাধ্যক্ষ

৩

তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট’ পদ সৃষ্টির প্রস্তাব

৪

যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ৩ দিনের খাবার-পানি মজুতের নির্দেশনা

৫

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি আসিফ মাহমুদের

৬

সাজেক সড়কের অবরোধ নিরসনে আলোচনায় বসছে প্রশাসন

৭

এইচএসসির ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর

৮

লাউ গাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

৯

বিশ্ব আবহাওয়ায় যে পাঁচ প্রভাব ফেলেছে এল নিনো

১০

সিলেটের শাহজালাল (রহ.) মাজারের দান বাক্সে মিলল পৌনে ৮৯ লাখ টাকা

১১

ভারতে যাওয়ার সময় দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে ছাত্রলীগ নেতা আটক

১২

হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু

১৩

মিষ্টির শূন্য আসনে মনোনয়ন জমা শেষ ২৬ অক্টোবর

১৪

বৃষ্টি হবে কবে, জানাল আবহাওয়া অফিস

১৫

এনসিপিতে সামান্তার পদাবনতি, নেপথ্যে কী?

১৬

তারেক রহমান ও শেখ হাসিনার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: নাহিদ ইসলাম

১৭

১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার

১৮

মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা এবার সেই রুমিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান

১৯

বুড়িচংয়ে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ৫

২০