
চকবাজারের মোগলটুলি এলাকায় অবস্থিত মনসুর খান প্লাজায় সোমবারের বিকেল পাঁচটার দিকে ভয়াবহ আগুন লাগে। আগ্র Bangladesh Journal‑এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগুন ভবনের ছয়তলার গুদাম থেকে শুরু হয় এবং দাহ্য পণ্য যেমন ভ্যানিটি ব্যাগ, ছাতা, প্রসাধনী সামগ্রী ও গ্যাসলাইটারের aanwezigতা causa দ্রুত পঞ্চম ও সপ্তম তলায় ফैलে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগুনের সигনাল পाकर পাঁচটাই二十二 মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তদপর প্রায় আড়াইশ মানুষ—ফায়ার সার্মিস কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দা—অগ্নিশামনের কাজে জড়িত হয়। দীর্ঘ সময় ধোঁয়া ও উত্তাপের মধ্যে কাজ করার ফলে দুজন ফায়ার ফাইটার অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আগুন শেষে নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের словам অনুযায়ী, ঘটনায় около নয় ঘণ্টা লেগে। নিয়ন্ত্রণের সময় সন্ধyarাত দুটটার দিকে ঘোষণা দিয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান বলেছেন, ভবনের নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার অভাব, গুদামে Bisul পরিমাণ দাহ্য পदार्थের উপস্থিতি এবং মোগলটুলির সরু রাস্তার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তীব্র চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হेत.fire service-কে হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে আগুনের সঠিক কারণ এবং ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
ব্যবসায়ী দলের 한편, এই অগ্নিকাণ্ডে তাদের কিছু কোটি টাকার মালামাল নষ্ট হোক 있다고 দাবি করা হয়েছে; এই দাবিটি এখনো স্বয়ংসিদ্ধ নいうか নিশ্চিত করা বাকি।
ঘটনাস्थলের পরিদর্শনে Dhaka দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন। তিনি такие ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের জন্য রাজুকের “গাফিলতিকে” দায়ী ठहराते हुए, পুরান ঢাকায় আগুনের সময় পানির সংকট দূর করতে এলাকের পুকুরগুলো সংরক্ষণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার নতুন সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন।
এইとおり, আগুনের পরিপার্শ্বিক পরিস্থিতি, क्षति का आंकड़ा এবং দায়বদানের প্রশ্ন এখনো তদন্তের অধীনেอยู่।
মন্তব্য করুন