
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবে’র প্রভাবে বাংলাদেশের যেসব এলাকায়
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘণীভূত হয়ে সেয়াবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর নাম রাখা হয়েছে, বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশের মতো জানা গেছে। এই ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করে এবং ক্ষেত্রব্যাপী বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি করছে। পূর্বাভাস দিয়েছে কর্মকর্তারা ক্ষমতামতো সেয়াবার রাত থেকে পরবর্তী কয়েকদিনের মধ্যে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।
বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর অনুসারণে জানা গেছে যে, সেয়াবার রাত থেকে পরবর্তী কয়েকদিন চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়কালে পূর্বাভাস প্রকাশ করা হয়েছে এবং সমস্ত দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারার সম্ভাবনা থাকলেও ঘূর্ণিঝড়টির সরাসরি বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত করে না বলে আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করেছেন।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা ঘূর্ণিঝড়টির ধারণা যে পরবর্তী সপ্তাহের শেষ দিকে এটি ‘অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়’-এর রূপ নিতে পারে, সেই বিশেষজ্ঞদের এই ধারণা মাত্র জানাচ্ছে, যা ২৮শে অক্টোবর নাগাদ ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূল অঞ্চলে আঘাত করার সম্ভাবনা রেখে তুলে ধরেছেন। এই ঘূর্ণিঝড়টি বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপবলে সৃষ্ট হওয়ায় স্থানীয় বৃষ্টিপাত ও বাতাসের ব্যতিক্রম সৃষ্টি হতে পারে।
বাংলাদেশ জার্নাল/সিএম প্রকাশকারী হিসেবে জানা গেছে যে এই ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব বিশ্লেষণের প্রেক্ষিতে অনেক সময় সাদৃশ্য হয়েছে সাম্প্রতিক বৃষ্টিহত্যার পরিস্থিতিতে, তবে তারা নির্ভুলতা নিয়ে সতর্ক করেছেন যে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলে সরাসরি প্রভাব ফেলবে না। এই বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড়টি প্রধানত পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগিয়ে যায় এবং সমস্ত সেয়াবার রাত থেকে পরবর্তী কয়েকদিনের মধ্যে এটি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় পৌঁছায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ প্রসারক হিসেবে জানা গেছে যে এই খবরটি বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর অনুসারী ক্ষমতামতো প্রকাশ করা হয়েছে এবং মূল তথ্যগুলো সঠিক এবং প্রমাণযোগ্য রয়েছে।
মন্তব্য করুন