
দুর্গাপূজার দশমীতে ঢাকার ৩৩টি স্থানে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিসর্জনকে কেন্দ্র করে ১৬ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম, স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট, সোয়াট, বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও এসআরবির সদস্যরা মোতায়েন করছেন।
বিকেল ৪টার দিকে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে বিজয়া শোভাযাত্রা শুরু হয়। জগন্নাথ হল, দোয়েল চত্বর, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুর রোড ও রায়সাহেব বাজার হয়ে শোভাযাত্রাটি বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাটে পৌঁছায়। শঙ্খনাদ, উলুধ্বনি ও ঢাকের বাদ্যের তালে ভক্তরা আনন্দে মেতে ওঠেন। সবচেয়ে বেশি প্রতিমা বিসর্জন হচ্ছে ওয়াইজঘাটে।
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের মূল প্রতিমা বিসর্জন করা হচ্ছে না। মন্দিরের ঐতিহ্য অনুযায়ী, প্রতিমাটি পরবর্তী বছরের পূজার জন্য সংরক্ষণ করা হবে। সপ্তমীর দিন প্রতিষ্ঠিত কলাব বা কলাগাছটি প্রতীকী বিসর্জন হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এ বছর ঢাকা মহানগরে ২৫৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে, অন্যদিকে সারা দেশে মোট ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে পূজা হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের জন্য বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদের মোট ১১টি ঘাট নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশন) মো. শহীদুল্লাহ বলেন, এবার রাজধানীতে দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তিনি আশা করছেন, প্রতিমা বিসর্জনের বাকি কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হবে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তা মোকাবিলার জন্য পুলিশের প্রস্তুতি রয়েছে বলে তিনি জানান।
মন্তব্য করুন