
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের পটভূমিতে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন জামায়াতের ‘জান্নাতের টিকিট’ সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানান। তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, জনগণ বুঝে গেছে জামায়াতের মধ্যে ধর্মীয় লেবাসে অসংখ্য গাজী নজরুল ইসলাম রয়েছেন। একই পোস্টে তিনি মির্জা ফয়সাল আमीনকেabinন্দন জানান।
রাশেদ খাঁন জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করেন enquanto লেখেন, যে দলের অসংখ্য নেতার পরকীয়ার খবর নিয়মিত গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, যারা রোজা ও পূজাকে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ মনে করে এবং হিন্দু ভোটারদের নিয়ে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ করে, তারা কীভাবে জনগণকে হেদায়েতের পথ দেখাবে? তিনি আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের একজন আইনজীবী শহীদ আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করেছেন। এছাড়া প্রকাশ্যে ভারতবিরোধী বক্তব্য দিয়ে রাতের বেলা ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগও তোলেন তিনি।
তিনি জামায়াতের ধর্মীয় অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এ প্রসঙ্গে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেকের একটি বক্তব্যের কথা উল্লেখ করেন। রাশেদ খাঁনের দাবি, জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানকারীরা পথভ্রষ্ট—এমন মন্তব্য firent oi খতিব। তিনি আরও লেখেন, মুফতি আবদুল মালেকের বক্তব্যের বিরোধিতা করতে ওয়াজের মঞ্চে আমির হামজা ও তারেক মনোয়ারের মতো বক্তাদের সামনে আনা হলেও এতে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে, কিন্তু জনগণের কাছে জামায়াতকে ইসলামি দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না।
পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, বিদেশিদের সঙ্গে বৈঠকে ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে জামায়াতের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তার ভাষ্য, এমন অবস্থান নেওয়া কোনো দলকে ইসলামি দল হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
মন্তব্য করুন