৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৩ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ

বাংলাদেশ জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি বাণীতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ বলেছেন। খবরে জানানো হয়েছে, এই দিবস উপলক্ষে সরকার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পক্ষ থেকে পৃথক পৃথক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বাণী অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরে দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরোধী সকল চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। তিনি এই দিনকে দেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ইতিহাস চর্চা মাত্রই পর্যাপ্ত নয়, ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বাণীতে দাবি করা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মাধ্যমে যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে একদলীয় স্বৈরাচার কায়েম করতে চেয়েছিল এবং সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, তাদের পরাজয় ঘটেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পরাজিত অপশক্তি পরবর্তীতে মহাজোট গঠন করে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল, বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযঞ্জ ঘটিয়েছিল এবং ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজার হাজার শহীদ এবং গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘ দেড় দশকের পরে দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বাণীতে ১৯৭১ সালের যুদ্ধকে স্বাধীনতা অর্জনের এবং ২০২৪ সালের ঘটনাক্রমকে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার হিসেবে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এল, ১৯৭৫ সালে সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। ভবিষ্যতে কেউ অধিকার হরণ বা দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র করতে না পারে, এটিই ৭ নভেম্বরের মূল অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন তিনি এবং এর বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক-ভৌগোলিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য রক্ষায় ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ১৯৭১, ১৯৭৫, ১৯৯০ এবং ২০২৪-এর প্রতিটি বিপ্লব বা অভ্যুত্থানের লক্ষ্য স্বাধীন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র নির্মাণ বলে চিহ্নিত করেছেন। বাণীতে ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই উচ্চারণ দুहरানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ৭ নভেম্বর উদযাপনের সাফল্য কামনা জানিয়ে বলেছেন, ‘৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।’

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অভিশংসনের পরই গৃহবন্দি প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট

১

খাগড়াছড়িতে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ল বিআরটিসি বাস

২

মানবপাচার চক্র নির্মূলে টেকনাফে আবারও যৌথ বাহিনীর অভিযান

৩

শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় পরপর ককটেল বিস্ফোরণ

৪

আনোয়ার খান মডার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোচনা সভা

৫

গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৬

জামালপুরে ট্রাক চাপায় একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

৭

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

৮

মৌলভীবাজারে ২০ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ

৯

দেশের চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতে ৯ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যের সুযোগ

১০

প্রজন্মের ভবিষ্যত ডুবে যাচ্ছে মাদকের অন্ধকারে

১১

নোয়াখালী রুটে যুক্ত হবে নতুন ট্রেন, সংস্কার হচ্ছে রেলপথ

১২

সাগরের বুকে মিশেছে পাহাড়ি জলধারা, মুগ্ধ ইনানীর নিভৃত সৌন্দর্য

১৩

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

১৪

‘সরকার বলে কি আসলেই কোনো ব্যবস্থা দেশে আছে? জামায়াত আমির

১৫

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

১৬

৭ নভেম্বর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অঙ্গীকার: রিজভী

১৭

মার্কিন গণমাধ্যমে গুরুত্ব পাচ্ছে এল-সায়েদের বক্তব্য

১৮

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৮ পদে চাকরির সুযোগ

১৯

মুসলমানদের হাত ধরেই রচিত হয় কফি আবিষ্কারের গল্প

২০