
ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে ৬৭ জন নারীর ফর্ম নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মনোনয়ন ফর্ম নেওয়া নেতীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য, দলটির কেন্দ্রীয় নেত্রী এবং জেলা ও মহানগর পর্যায়ের সংগঠকরা।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এই নারীরা মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহ করেন। ফর্ম সংগ্রহ করা নেতীদের মধ্যে আছেন সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া, শাহানা আক্তার সানু, আয়শা সিদ্দিকা মনি, শাহিনুর নার্গিস, শাহিনুর বেগম, খন্দকার ফারহানা আতিকা, আফরোজা খানম, মাসুদা আফরোজ হক, রুনা লায়লা, হাসনাহেনা হীরা এবং জেলী চৌধুরী।
এই নেতীদের অনেকেই এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চাইয়েও পাননি। কেউ সরাসরি সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন। মিষ্টির পদত্যাগের পর তাদের সামনে আবার সুয়োগ এসেছে।
রুনা লায়লা বলেছেন, শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলনে তার বিরুদ্ধে ২২টি মামলা হয়েছে। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর মাথায় গুলি লাগেছিল। তিনি বিশ্বাস করেন যে দল তাকে মূল্যায়ন করবে।
হাসনাহেনা হীরা বলেছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাড়াই তার পরবর্তী এলাকার উন্নয়নে কাজের সুয়োগ পাবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে তার এলাকা অনেক পিছিয়ে রয়েছে এবং সরকারে সরাসরি থাকা ছাড়া তা করা কঠিন।
মিষ্টির পদত্যাগের পর ১ অক্টোবর সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা করা হয়। এই আসনের উপনির্বাচন নির্ধারিত ছয় ১২ নভেম্বর। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ২৬ অক্টোবর, বাছাই ২৭ অক্টোবর এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১ নভেম্বর।
বিএনপি এই আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। একক প্রার্থী থাকলে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন। ফলস্বরূপ, ৬৭ জনের মধ্যে কে বিএনপির মনোনয়ন পায়, সে নির্ধারণ করবে এই আসনের পরবর্তী সংসদ সদস্যকে।
মন্তব্য করুন