
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান জামায়াত-শিবির এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-এর বিরুদ্ধে গম্ভীর অভিযোগ এনেছেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে সোমবার (২৬ অক্টোবর) লিখিত একটি পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান দাবি করেন, ক্ষমতায় না গিয়েও যারা ভিন্নমতের মানুষের জানাজা-দাফনে বাধা দিচ্ছে, ক্ষমতায় গেলে তারা আরও বর্বর হবে। তিনি জামায়াত-শিবিরের থাবা থেকে দেশকে রক্ষা করার সবার নৈতিক দায়িত্ব 있다고 উল্লেখ করেন।
পোস্টে জামায়াত-এনসিপির আদর্শিক নেতা শহীদ ওসমান হাদীর একটি উক্তির উল্লেখ করে রাশেদ খান প্রশ্ন করেন যে, মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়া কি ইনসাফের অংশ।
তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের প্রয়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণে জামায়াত-ইসলামি মানিক পশারীর জানাজা দেয়নি। রাশেদ খান দাবি করেন, মোবাইলের আলোতে দুই মেয়ে ও এক বোন মিলে কবর খুঁড়ে দাফন সম্পন্ন করে। এটিকে তিনি জামায়াত-শিবিরের বর্বরতা বলেছেন।
রাশেদ খান আরও দাবি করেন, এনসিপির ৮০ শতাংশ নেতাকর্মী জামায়াত-শিবিরের সাবেক নেতাকর্মী। ফলস্বরূপ নতুন এই প্রক্সি দলটির অধিকাংশ নেতাকর্মী জামায়াত-শিবিরের মতো বর্বর, এমন মন্তব্য করেছেন তিনি। এনসিপির জন্ম জামায়াত-শিবির কোনো বিপদে পড়লে উদ্ধারকারী জাহাজ হয়ে রক্ষা করার জন্য, এমন দাবি পোস্টে করা হয়েছে।
এছাড়া আগামীতে জামায়াত থেকে আসন ছাড় পাওয়ার জন্য এনসিপি নেতাদের মধ্যে জামায়াতি বর্বরতাকে তোষামোদি করার এক ধরণের প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, দাবি করেন প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী।
নতুন বন্দোবস্তের নামে এনসিপি বর্তমানে জামায়াতি বর্বরতাকে বৈধতা দেওয়ার রাজনীতি করছে, উল্লেখ করে রাশেদ খান লিখেন, এটাই কি তরুণদের কাছ থেকে মানুষ প্রত্যাশা করেছিল?
পোস্টে ছাগল চোর, ল্যাপটপ চোর, নারী ও আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জর্জরিতদেরও লক্ষ্য করে মন্তব্য করা হয়েছে।
এই সব দাবি ও মন্তব্য রাশেদ খানের ফেসবুক পোস্ট থেকে নেওয়া। খবরের লেখার সময় এই অভিযোগগুলোর স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন