
ইরানের সঙ্গে নতুন শান্তি আলোচনা শুরু করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স একটি চিঠি পাঠিয়েছে, যা গত সপ্তাহে ইরানি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি মোহসেন রেজায়ি에게 পাঠানো হয়। চিঠিতে ভ্যান্স ওর উদ্দেশ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চলা রোধ করা এবং তার অর্থনীতি পুনর্গঠন,সাথে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলেছে। রেজায়িকে প্রতিনিধি নিয়োগ করে আলোচনা চালু করার অনুমোদন দিতে হবে, ভ্যান্স বলেছেন।
এই সংবাদটি ওপরে ওয়ার্ডপ্রেস “দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট”ের এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন যে, যদি দুটি পক্ষ সরাসরি আলোচনা করেন, তবে ভ্যান্স এবং রেজায়ির মধ্যেই ইস্টাম্বুল বা কাতারের দোহা শহরে একটি বেড়ী আয়োজন করা যেতে পারে।
আরও পটভূমি হিসেবে, কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্রতিনিধদল শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) তেহরানে পৌঁছেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র‑ইরান চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করতে কাজ করছে। কাতারি মধ্যস্থতাকারীরা দু’পক্ষের মধ্যে সমঝোতা অর্জন করতে কাজ করছে, তবে দু’পক্ষের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ার কারণে আলোচনার ধারা ও ক্রম সম্পর্কে একমত হতে এসেছে।
ইরানের দৃশ্যে, তেহরান জোর দিয়ে বলেছে যে, মার্কিনকে প্রথমে নৌবন্দর বন্ধ করা এবং তেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা বের করা হবে, তারপরই কোনো আলোচনার শুরু করা যাবে। গত সপ্তাহে কাতার একটি খসড়া শান্তি প্রস্তাব দিয়েছিল, তবে উচ্চপদস্থ ইরানি কর্মকর্তা এই প্রস্তাবটি গ্রহণযোগ্য নয় বলে রেজায়ি বা অন্য কোনো কর্মকর্তা বায় голосি দেয়নি, বরং তেহরান নিজের পারমাণবিক অবস্থান পরিবর্তন করবে না বলে রাখা করেছে।
মার্কিন সরকার রেজায়িকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা হিসেবে বিবেচনা করছে, কারণ সে নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে এবং সরাসরি মুজতাবা খামেনীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে রাখে।
আরاضيভাবে, সংঘটিত পরিস্থিতি ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলের হামলা পরপর থেকে শুরু, যা পরপরতে ইরানও হামলা চালিয়ে বিভিন্ন দেশে, যার মধ্যে কিছুতো মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং কয়েকটি আরাব দেশে, যুদ্ধ বেরিয়ে দিল। জুন মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরান মধ্যে একটি অস্থায়ী সমঝাতা চুক্তি সই হয়, আর আলোচনা শুরু হয়, তবে নৌচলাচল ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত মসলা কারণে আলোচনা থামে যাবে।
এই সকল তথ্যগুলো বাংলাদেশ জার্নালের সংবাদ অনুযায়ী প্রকাশিত হয়েছে।
মন্তব্য করুন