
নিষেধাজ্ঞা শেষে পাদমা-মেঘনা নদীতে পুনরায় ইলিশ শিকারি খানা শুরু
বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই জাল ও নৌকা নিয়ে মাছ ধরা শুরু করলেন হাজারো জেলের মাছ ধরা কর্মকারী। শুক্রবার ভোরের আলো ফুটতেই চাঁদপুরের হরিনা মাছঘাটে রুপালি ইলিশ ও পাঙাশবোঝাই নৌকা নিয়ে ফিরতে শুরু করলেন। দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা মর্যাদা শেষ হলে, এইgendা শুরু হলে ২০২৬ সালের ৩০ অক্টোবরের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রথমদিনেই কাঙ্ক্ষিত মাছ পেয়ে জেলাদের মুখে স্বস্তি ফিরে গেল। গোবিন্দপুর গ্রামের জেলে লিটন তপাদার এক রাতেই ১২ হাজার টাকার ইলিশ বিক্রি হয়নি, আর সাতজনের দলে অন্তর্ভুক্ত আবুল কালাম খান নামে পরিচিত একজন জেলে ১৫ হাজার টাকার মাছ ধরেছেন। এইদিন গড়ে পাঙাশও বড় আকারে নিলে পায়, যা গত দিনের ক্ষতি ও ঋণ দ্রুত পুষ্টি নেওয়ার সম্ভাবনা জাগা করেছে, সাংবাদিকরা জানান।
বাজারে ইলিশের দাম বাড়ি হচ্ছে না; ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা, ৪০০-৫০০ গ্রামের ইলিশ ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, বড় পাঙাশ ১ হাজার ২০০ টাকা ও ছোট পাঙাশ ৯০০-১ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আড়তদারদের মতে, বাজারে ইলিশের চাহিদা বাড়ায়, তবে আসা সরবরাহের পর পরিস্থিতি পরিশোধনীয় হবে।
কিন্তু কিছু ব্যবসায়ী, যেমন সিরাজুল ইসলাম, অভিযোগ করেন যে নিষেধাজ্ঞা সময়ে একশ্রেণির জেলে অবৈধভাবে মা ইলিশ শিকার করা হয়নি, ফলে আগের মতোই ইলিশের প্রাচুর্য নেই। এটি একটি অভিযোগ যা এখনো নিশ্চিত নয়।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেছেন, জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষার জন্য কঠোর অভিযানের সুফলসহ জেলা এখন বড় পরিমাণে ইলিশ ও পাঙাশ পাচ্ছে। তিনি পাঙাশের উৎপাদনকে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন এবং সরকারি উদ্যোগ নেওয়ার দিক থেকে আরও ঝোর দিতে বলেছেন।
মন্তব্য করুন