
ঢাকা-চট্টগ্রাম পথে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি এবার কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত পথে চলাচল শুরু করতে যাচ্ছে। আগামী সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে ট্রেনটির প্রথম যাত্রা শুরু হবে। এই বিস্তৃত পথের যাত্রা উদ্বোধন করবেন রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি।
এই নতুন রুটে ট্রেনটি ১১টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে। স্টেশনগুলো হলো—বিমানবন্দর স্টেশন, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট এবং ফেনী স্টেশন। তবে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা স্টেশনে এবার আর যাত্রাবিরতি দেওয়া হবে না।
যাত্রাপথে ট্রেনটি সাড়ে ৯ ঘণ্টা সময় নেবে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী, ট্রেনটি কমলাপুর স্টেশন থেকে ছাড়ার পর প্রথমে বিমানবন্দর স্টেশনে যাবে; সেখান থেকে চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাবে রাত ২টা ৪০ মিনিটে। চট্টগ্রাম থেকে রাত তিনটায় কক্সবাজারের উদ্দেশে ছাড়া হবে এবং সকাল ৬টায় গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে।
ফিরতি যাত্রায় ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায় ছাড়বে। চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাবে বেলা ১২টা ১০ মিনিটে; তারপর ১২টা ৩০ মিনিটে ছাড়া হবে এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকায় পৌঁছাবে।
এই রুটে ট্রেনটি ১৬টি কোচ নিয়ে চলবে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। ট্রেনটিতে আসন সংখ্যা থাকবে সর্বোচ্চ ৭৩৬টি। মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন এই রুটে চলাচল করবে এবং রোববার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
এখনকার নিয়মে ঢাকা থেকে চলা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি চট্টগ্রাম ছাড়া মধ্যবর্তী কোনো স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয় না। অন্যদিকে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে চলা প্রবাল ও সৈকত এক্সপ্রেস ট্রেনগুলো মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোতে যাত্রী ওঠানামা করে থাকে। মহানগর এক্সপ্রেস এবার সব মধ্যবর্তী স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিচ্ছে।
ভবিষ্যতে ট্রেনের কোচ সংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারে যাত্রীদের চাহিদার উপর নির্ভরশীলতা বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। জানা গেছে, গত মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে এই সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল।
মন্তব্য করুন