
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে। সংবিধান সংশোধন কমিটির সাথে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের এক বৈঠকে এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত অনেকে বিচার বিভাগকে যুক্ত না করে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই ব্যবস্থা চালু করার পক্ষে মত দিয়েছেন।
শনিবার (২৩ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৈঠকে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য, মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের নতুন পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের অংশগ্রহণের গুরুত্বারোপ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিএনপির দেওয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমতের নোটে কোনো পরিবর্তন আনতে হলে তাদের কমিটির বৈঠকে এসে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল সক্রিয় ভূমিকা রাখবে এবং সবার মতামতের ভিত্তিতে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আলোচনা করা হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও উল্লেখ করেন, অতীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে একতরফাভাবে সংবিধান সংশোধন করেছিল, তবে বর্তমান জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার সেই পথে হাঁটবে না।
ভবিষ্যতে গণভোটের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, গণভোটের আইনি প্রশ্নে বিতর্ক থাকলেও জনগণের রায়কে সম্মান করা হবে। তবে ভবিষ্যতে কোনো গণভোট হলে তা হবে সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত।
মন্তব্য করুন