
বাংলাদেশের বিখ্যাত সাংবাদিক ও সংস্কৃতি‑বিনোদন বিশেষজ্ঞ এম এ মুন্না মিয়া মারা গেছেন। দৈনিক মানবকণ্ঠের সিনিয়র সাব‑এডিটর হিসেবেKnown তিনি, শনিবার রাত ৩টায় রাজধানীর ধানমন্ডি ক্লিনিকে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুের কারণ হৃদযন্ত্রগত রোগের জটিলতা ও মধুমেহ‑আম্লা রোগের সমস্যা। তার শরীরের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী, সাবেক সভাপতি হাসান শাহরিয়ারের নেতৃত্বে গঠিত তিন‑জন্যই কমিটি তাকে ২০১৪ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলা সেরা রিপোর্টিং পুরস্কারের মনোনীত করেছে, যার ফলে ২৫ হাজার টাকার চেক, ক্রেস্ট এবং সনদ দেওয়া হয়।
মুন্না মিয়া দৈনিক মানবকণ্ঠ ছাড়াও আছেন আমার দেশ, সমকাল, দেশবাংলা ও নয়শতাব্দীসহ বিভিন্ন পত্রিকাে কাজ করেন। সে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) এবং ঢাকা সাব‑এডিটরস কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।
সংস্কৃতি ও বিনোদন বিষয়ক তার প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে বিখ্যাত রিপোর্টগুলিে “খোলা জানালায় হুমায়ূন আহমেদ” (হুমায়ূন আহমেদ ও তার কথাসাহিত্য), “চাই শিশুতোষ মৌলিক রচনা” (শিশুদের মৌলিক সাহিত্য লিখনের প্রয়োজনীয়তা) এবং “ছোট্টডানায় ধরি অপার আকাশ” (লিটল ম্যাগাজিন) রয়েছে। সে বিভিন্ন পত্রিকাে “প্রায়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ” (হুমায়ূন আহমেদ), “চাই শিশুতোষ মৌলিক রচনা” এবং “ছোট্টডানায় ধরি অপার আকাশ” ইত্যাদি বিষয়ে লিপিয়েছে, যার মধ্যে মেলার দিনের আয়োজন, পাইল ফাল্গুনের উৎসব, ছুটির দিনের পাঠকসমাগম এবং আকস্মিক বৃষ্টির পরিস্থিতি gibi বিষয়covered।
মুন্না মিয়া বইমেলা বিষয়ক দীর্ঘদিনের প্রতিবেদন তৈরির অভিজ্ঞতা ಹೊಂದಿದ್ದರು। তিনি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে একুশে গ্রন্থমেলা রচনায় নবোদয় করেন। তার সাংবাদিকতা শিল্প‑সংস্কৃতি বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদন, বইমেলা‑মেলা বিষয়ক খবর এবং বিষয়ভিত্তিক গবেষণা‑ভিত্তিক প্রতিবেদন গড়ে তোলার মাধ্যমে প্রখ্যাত।
পরিবারিক সূত্রের মতে, মুন্না মিয়া ডায়াবেটিস ও নিউমোনিয়া সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সে মৃত্যুর পর পঞ্চাশ দিন পর বনশ্রী মেরাদিয়া ভুইয়াপাড়া কাঁচাবাজার‑সংলগ্ন দারুস সালাম মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, তারপর ভুইয়াপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মুন্না মিয়ার প্রয়াণের হার শোকের আবহাওয়া সৃষ্টি করেছে; সহকর্মী ও সাংবাদিক সমুহ ও সমাজে সেদিকে স্মরণে রাখা উচ্ছেদ।
মন্তব্য করুন